• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Central Govt

দেশ

প্রফি়ডেন্ট ফান্ডে (EPFO) টাকা তোলায় বিরাট পরিবর্তন, এখন ‘বিশেষ পরিস্থিতিতেও’ মিলবে অর্থ

কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থা (EPFO) তাদের ৩০ কোটিরও বেশি সদস্যের জন্য উত্তোলনের নিয়মে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। সংস্থার কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ড (CBT)-এর ২৩৮তম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এখন থেকে অর্থ উত্তোলন তিনটি প্রধান বিভাগে সহজ করা হবে অপরিহার্য চাহিদা (অসুস্থতা, শিক্ষা, বিবাহ), আবাসন চাহিদা এবং বিশেষ পরিস্থিতি।শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিবাহ ও শিক্ষার জন্য আংশিক উত্তোলনের সীমা যথাক্রমে ৫ বার ও ১০ বার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগে এই সীমা ছিল মাত্র তিনবার। একইসঙ্গে, বিশেষ পরিস্থিতি বিভাগে সদস্যরা কোনও কারণ উল্লেখ না করেই অর্থ তুলতে পারবেন। আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, লকআউট, বেকারত্ব বা মহামারির মতো কারণ দেখাতে হতো। যার ফলে অনেক দাবি বাতিল হতো।এছাড়া, আবাসন সংক্রান্ত উত্তোলনের জন্য ন্যূনতম চাকরির মেয়াদ ৫ বছর থেকে কমিয়ে ১২ মাস করা হয়েছে। শিক্ষা ও বিবাহের জন্য ন্যূনতম মেয়াদ ৭ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সদস্যদের তহবিলের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ ব্যালান্স হিসাবে বজায় রাখতে হবে, যা অবসরকালীন সঞ্চয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই পদক্ষেপ সদস্যদের ৮.২৫ শতাংশ সুদহার বজায় রেখে বেশি নমনীয়তা দেবে এবং আংশিক অর্থ তোলার দাবির ১০০ শতাংশ স্বয়ংক্রিয় নিষ্পত্তি নিশ্চিত করবে।একই সভায় EPFO বোর্ড EPFO ৩.০ প্রকল্পের অংশ হিসেবে একটি ডিজিটাল রূপান্তর কাঠামোও অনুমোদন করেছে। এতে থাকবে ক্লাউড-নেটিভ, API-ভিত্তিক সিস্টেম, ERP ও কোর ব্যাংকিং একীভূতকরণ যা দ্রুত দাবি নিষ্পত্তি, বহুভাষিক স্ব-পরিষেবা এবং বেতনসংযুক্ত স্বয়ংক্রিয় অবদান সম্ভব করবে।তহবিল ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে, EPFO শীঘ্রই ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের (RBI) সুপারিশ নিয়ে আলোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করবে। আরবিআই ইপিএফওকে ইকুইটি বিনিয়োগ বাড়িয়ে রিটার্ন উন্নত করার পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ধীরে ধীরে বৈচিত্র আনতে পরামর্শ দিয়েছে।বর্তমানে ইপিএফও নতুন আয়ের ১৫% ইকুইটিতে, ৪৫৬৫% সরকারি বন্ডে এবং ২০৪৫% কর্পোরেট ঋণে বিনিয়োগ করে। আরবিআই কর্পোরেট বন্ড বিনিয়োগের সীমা তুলে দিয়ে আরও নমনীয় বিনিয়োগ নীতির পরামর্শ দিয়েছে। EPFO-র নতুন পদক্ষেপকে সরকার সহজলভ্য, নিরাপদ এবং ভবিষ্যত-প্রস্তুত কর্মচারী সঞ্চয় কাঠামো গঠনের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছে।

অক্টোবর ১৪, ২০২৫
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে কলকাতায় ধরনা মুখ্যমন্ত্রীর, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদীকে চিঠি

এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ঘরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। কলকাতায় রাজভবনের সামনে মঞ্চ বেঁধে ধরনা চলেছে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে রেড রোডের পাশে ধর্নায় বসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেই মঞ্চ থেকেই ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্যাগ রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য সব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।গত বুধবার মমতার আর্থিক বঞ্চনার জবাব দিতে আসরে নামে বিজেপি। ওইদিন সকালে সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে বাংলার বকেয়া টাকার দাবি জানান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরে সুদীপকে ক্যাগ রিপোর্ট পড়ে দেখতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত।কী আছে সেই ক্যাগ রিপোর্টে, যা দেখে কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে? গত বুধবারই কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই ক্যাগ রিপোর্ট সামনে আনেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠকে জানান, প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব দেয়নি রাজ্য। সেই টাকা কোথায় গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সুকান্তর দাবি, পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট-এ সরকারি প্রকল্পের টাকা নেওয়া হয়েছে, এমন কথাই রয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। সুকান্তর দাবি ছিল, এটা দুর্নীতির নতুন পন্থা। সাধারণের টাকা কোথায় খরচ করা হয়েছে, তা কারও জানা নেই। বঙ্গ বিজেপি সভাপতির দাবি, রাজ্য সরকারকে যে কোনও প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিতে হয়। তাতে বোঝা যায়, যে টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, সেই টাকা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজেই খরচ হয়েছে। কিন্তু ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১.৯৫ লক্ষ কোটি টাকার কোনও ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট জমা দেয়নি রাজ্য সরকার।বিজেপি নেতাদের ওই অভিযোগের বিরুদ্ধে এদিন ধরনা মঞ্চেই মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, এখান থেকেই ক্যাগ রিপোর্টের মিথ্যাচার নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীকে স্ট্রং চিঠি দিচ্ছি এখান থেকে। ক্যাগ রিপোর্টে ২০০৩ সাল থেকে রিপোর্ট দিয়েছে। তখন কি আমরা ছিলাম? আমরা ক্ষমতায় এসেছি ২০১১ সালে। তাহলে কেন ওই সময়ের দায়িত্ব নেব? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, সব ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দিয়েছি। ক্যাগ রিপোর্টে সব মিথ্যা কথা। সত্য কখনও চাপা থাকে না। ক্যাগ রিপোর্ট বিকৃত সত্য ও বিজেপি লিখেছে। রাজ্যের পাওনা আটকে রেখে ক্যাগ কথা বলছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৪
দেশ

কেন্দ্রীয় নয়া প্রকল্পে আধুনিকীকরণ বাংলার ৩৭টি রেল স্টেশনে

রেলের উন্নয়নে দেশব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সারা দেশের ১৩০০ স্টেশনের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০৮টি রেলস্টেশনের পুনর্বিকাশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে রেল। এই তালিকায় রয়েছে এই রাজ্যের ৩৭টি স্টেশন। রবিবার এই স্টেশনগুলোর পুনর্বিকাশের কাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।মেদী বলেন, বিকাশের পথে ভারত তার যাত্রা শুরু করেছে। নতুন উদ্যম, নতুন প্রেরণা, নতুন সঙ্কল্পের সঙ্গে আজ ভারতীয় রেল নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় ভারতের প্রায় ১৩০০ রেলস্টেশনের উন্নয়ন হবে। স্টেশনগুলো আরও আধুনিক হবে। আজ থেকেই ৫০৮টি স্টেশনের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়ে গেল।এরাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি জলপাইগুড়ি রয়েছে এই প্রকল্পে। এই জেলায় সর্বাধিক আটটি স্টেশনের পুনর্বিকাশ হবে। বিকাশের তালিকায় রয়েছে বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ি, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি, হাসিমারা, জলপাইগুড়ি রোড, কামাক্ষাগুড়ি এবং নিউ মাল স্টেশন। এরপর বর্ধমানের পাঁচটি স্টেশনেও আধুনিকীকরণ হবে। নদিয়া জেলার চারটি স্টেশন নতুন রূপ পাবে।। এ ছাড়াও জেলাভিত্তিক তালিকায় আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, হুগলির তিনটি করে রেলস্টেশনের আধুনিকীকরণ হবে। অমৃত ভারত স্টেশন হবে কোচবিহারের দিনহাটা। আধুনিকীকরণের তালিকায় রয়েছে শিয়ালদহ।পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার কোন কোন স্টেশনের পুনর্বিকাশ হবে?আলিপুরদুয়ার (৩)দলগাঁও, ফালাকাটা, নিউ আলিপুরদুয়ারবর্ধমান (৫)অণ্ডাল জংশন, বর্ধমান, আসানসোল, কাটোয়া, পাণ্ডবেশ্বরবীরভূম (২)বোলপুর (শান্তিনিকেতন), রামপুরহাট জংশনকোচবিহার (১)দিনহাটাউত্তর দিনাজপুর (৩)আলুয়াবাড়ি, ডালখোলা, কালিয়াগঞ্জহুগলি (৩)অম্বিকা কালনা, শেওড়াফুলি জংশন,তারকেশ্বরজলপাইগুড়ি (৮)বিন্নাগুড়ি, ধুপগুড়ি, হলদিবাড়ি, জলপাইগুড়ি, হাসিমারা, জলপাইগুড়ি রোড, কামাক্ষাগুড়ি, নিউ মাল জংশনকলকাতা (১)শিয়ালদহমালদা (২)মালদহ টাউন, সামসিমুর্শিদাবাদ (৩)আজিমগঞ্জ, বহরমপুর কোর্ট, নিউ ফরাক্কা জংশননদিয়া (৪)কৃষ্ণনগর সিটি জংশন, বেথুয়াডহরি, নবদ্বীপ ধান, শান্তিপুরউত্তর ২৪ পরগনা (২)ব্যারাকপুর জংশন, চাঁদপাড়া

আগস্ট ০৮, ২০২৩
দেশ

কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের

কোনও কোনও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী সংখ্যাটা ১১, আবার আন্দোলনকারীদের দাবি সংখ্যাটা ১৫। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের নয়া কৃষি বিলের প্রতিবাদে পথে নেমেছেন কৃষকরা। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা গত ১৭ দিন ধরে প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যেও দিন-রাত বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দিল্লি সীমান্তে। প্রবল ঠাণ্ডায় এই বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন কৃষক। তাঁদের সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও তা যে কোনও মতেই ১১ জনের কম নয় তা স্পষ্ট। আরও পড়ুন ঃ দিল্লিতে অভিষেকের বাড়িতে হামলা চালাল একদল দুষ্কৃতী এই কৃষক মৃত্যু নিয়ে এবার কেন্দ্রকে বিঁধলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। শনিবার এক টুইট বার্তায় তিনি এনিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। এদিন একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনকে হাতিয়ার করে রাহুল লেখেন, কৃষি আইন রদ করতে আমাদের কৃষক ভাইদের আর কত বলিদান দিতে হবে?। উল্লেখ্য, কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের ছয় দফা আলোচনাতেও কোনও ফল মেলেনি। আইন প্রত্যাহারের দাবিতে অনড় কৃষকরা। লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তাঁরা।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
দেশ

টিকাকরণ নিয়ে ভোলবদলের অভিযোগে কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের

এবার করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ শানালেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার সকালে টুইটারে একটি পোস্ট করেন রাহুল। সেখানে তিনি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে মোদি সরকারের অবস্থান জানতে চান। টুইটারে কেন্দ্র সরকারের তিনটি মন্তব্য তুলে ধরেছেন রাহুল। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য- সকলে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন পাবেন। দ্বিতীয়, বিহারে বিজেপির দাবি- ক্ষমতায় এলে বিহারে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে। তৃতীয়, সরকারের বর্তমান দাবি- কখনই বলিনি সবাই ভ্যাকসিন পাবে। শেষে কংগ্রেস নেতার খোঁচা, প্রধানমন্ত্রীর কথার গুরুত্ব কোথায়? আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে অনুরোধ অধীরের সম্প্রতি, স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলেছে ৩০ কোটি মানুষ করোনার টিকা দেওয়া হবে। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতেই এই পদক্ষেপ করা হবে। সকল দেশবাসীর টিকার প্রয়োজন নেই। এরপরই ফের কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছে বিরোধীরা। সবমিলিয়ে ভ্যাকসিন ভারতে বাজারে আসার আগেই চরমে উঠেছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
দেশ

মোদি সরকার গরিবদের জন্য কোনও কাজ করেনিঃ রাহুল

লকডাউন নিয়ে ফের কেন্দ্রীয় সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। শুক্রবার তিনি বলেন, প্রথমে তারা তুঘলকি কায়দায় লকডাউন করল। লক্ষ লক্ষ শ্রমিক দুর্দশায় পড়লেন। মনরেগা প্রকল্পে যে আয় করেছিল, তাও তারা ব্যাঙ্ক থেকে তুলতে পারল না। মোদী সরকার মুখে বড় বড় কথা বলছে। কিন্তু গরিবদের জন্য কিছুই কাজ করেনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের সম্মতি ছাড়া কোনও তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই , নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে বুধবারও রাহুল কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, মানুষ প্রতিদিন ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁর কথায় ব্যাঙ্কগুলি সমস্যায় পড়েছে। জিডিপি সম্পর্কেও একই কথা বলা যায়। আগে কখনও মূল্যবৃদ্ধি এত বেশি হয়নি। মানুষ হতাশ হয়ে পড়ছেন। একে কি উন্নয়ন বলে? প্রশ্ন তোলেন তিনি।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

আমফানের  ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যকে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্রের

আমফান ঝড়ের জেরে ্পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতিপূরণ বাবদ আরও এক দফা সাহায্য ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নেতৃত্বে এক উচ্চস্তরীয় বৈঠক শেষে দুর্যোগ মোকাবিলায় মোট ৬ রাজ্যকে সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এর মধ্যেই বাংলাই সবচেয়ে বড় অঙ্কের সাহায্য পাচ্ছে। প্রায় ২ হাজার ৭০৭ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে এই রাজ্যের জন্য। ওড়িশাকে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ১২৮ কোটি টাকা। এছাড়া সাইক্লোন নিসর্গের হানায় ক্ষতিগ্রস্ত মহারাষ্ট্রকে প্রায় ২৬৮ কোটি, বন্যা মোকাবিলায় কর্ণাটককে প্রায় ৫৭৭ কোটি, মধ্যপ্রদেশকে প্রায় ৬১১ কোটি এবং সিকিমকে প্রায় ৮৭ কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ শব্দবাজি ফাটাতে নিষেধ করায় আক্রান্ত পুলিশ , ধৃত ৫ প্রসঙ্গত , গত মে মাসের ২০ তারিখ আমফান নামক এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল বাংলার বিভিন্ন এলাকা। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, মেদিনীপুর-সহ বেশ কয়েকটি জেলা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের কাছে সাহায্যের আরজি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়। মমতার আরজিতে রাজ্যে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি হেলিকপ্টারে চেপে বিভিন্ন এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখেন। তখন প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটির প্যাকেজ ঘোষণা করেন মোদি। কিন্তু রাজ্য সরকারের বক্তব্য ছিল , যা ক্ষতি হয়েছে , সেই তুলনায় ১ হাজার কোটি টাকা অর্থ কিছুই নয়। কারণ, আমফানে রাজ্যে ক্ষতির পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। অন্যদিকে , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়ার ্পর সেই টাকা নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ , যারা আমফানের জেরে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত , তারা কোনও ্টাকা পায়নি। তৃণমূলের একাংশের নেতা-কর্মীরা সেই টাকা পেয়েছেন।

নভেম্বর ১৩, ২০২০
দেশ

আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না  লোকাল ট্রেন , সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে রাজ্য অনুরোধ করলে অনুমতি দিতে পারে রেলমন্ত্রক। স্কুল- কলেজ খোলার বিষয়টিও রাজ্যের উপরই ছেড়েছে সরকার। আনলক ৫-এর গাইডলাইন বলবৎ থাকার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ছিল এই নির্দেশিকার সময়সীমা। এখন তা বাড়িয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর করা হল। আরও পড়ুনঃ চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার প্রসঙ্গত , গত কয়েকদিন ধরেই দেশে করোনার গ্রাফ নিম্নমুখী। অনেকেই আশা করেছিলেন , এবার হয়তো লোকাল ট্রেন চালু করার বিষয়ে অনুমতি দিতে পারে কেন্দ্র। কিন্তু সকলকে হতাশ করে নতুন কোনও ছাড় দিল না কেন্দ্রীয় সরকার।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
দেশ

সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

কেন্দ্র মেড ইন ইন্ডিয়া ছাড়া আর কোনও কিছুই মিলবে না দেশের আর্মি শপগুলিতে , এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাতিল হবে সমস্ত বিদেশি পণ্য। বাদ পড়তে পারে নামী ব্র্যান্ডের অ্যালকোহলও। দেশে প্রায় ২ হাজারটির কাছাকাছি এরকম ক্যান্টিন আছে। সেগুলিতে বছরে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার ব্যবসা হয়। উল্লেখ্য , গত ১৯ অক্টোবর কেন্দ্র সরকারের তরফে একটি নোটিস হয়েছে বলে খবর। তাতেই দেশের চার হাজার সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ বিহার ভোটের প্রচারে ৩৭০ ধারা হাতিয়ার মোদির প্রসঙ্গত , এর আগে গত ১ জুন কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছিল, দেশের কোনও আধা সেনা ক্যান্টিনেই রাখা যাবে না বিদেশী পণ্য। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত তাদের আত্মনির্ভর অভিযানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

অক্টোবর ২৪, ২০২০
দেশ

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাসের ঘোষণা কেন্দ্রের

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য বোনাস ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। উৎসবের মরশুমে খরচ ও চাহিদা বাড়ানোর লক্ষ্যে বোনাস ঘোষণা করল সরকার। বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, বিজয়া দশমীর আগেই বোনাস দিয়ে দেওয়া হবে। আরও পড়ুনঃ করোনাকে হাল্কাভাবে নিলে চলবে না : মোদি কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, প্রোডাক্টিভিটি বোনাস হাতে পাবেন বিভিন্ন সরকারি বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ১৬.৯৭ লক্ষ নন-গেজেটেড কর্মী। রেল, পোস্ট অফিস, প্রতিরক্ষা, ইপিএও, ইএসআইসি-র মতো সংস্থার কর্মীরা এর আওতায় আসবেন। এছাড়া আরও ১৩.৭০ লক্ষ নন-গেজেটেড কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীও বোনাস পাবেন। বোনাসের জন্য সরকারের খরচ হবে ৩,৭৩৭ কোটি টাকা।

অক্টোবর ২১, ২০২০
দেশ

ভারতের মোট জিডিপি বাংলাদেশের ১১ গুণ ! ঘোষণা কেন্দ্রের

ভারতের মাথা পিছু জাতীয় উৎপাদন বাংলা্দেশের থেকেও কম হবে। ভারতের অর্থনীতি সম্পর্কে এমনই পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের এই পূর্বাভাসের পর কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে বিরোধীরা। এবার এই বিষয়ে সাফাই দিয়ে কেন্দ্রের তরফ থেকে এক সরকারি আধিকারিক বলেন , ,২০১৯ সাল পর্যন্ত হিসেবে ভারতের মোট জিডিপির পরিমাণ বাংলাদেশের ১১ গুণ। শুধু মোদি সরকারের আমলেই দেশে মাথাপিছু সম্পত্তির পরিমাণ ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও পড়ুনঃ জিডিপি নিয়ে মোদিকে কটাক্ষ রাহুল-অভিষেকের সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ওই আধিকারিক আরও বলেছেন,মোদি জমানায় দেশের পার ক্যাপিটাল জিডিপি বেড়েছে ৩০.৭ শতাংশ। আগে যেটা ৮৩ হাজার ৯১ টাকা ছিল। এখন সেটা ১ লক্ষ ৮ হাজার ৬২০ টাকা। তাই বাংলাদেশ মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে টপকে যাবে , সেরকম কোনও সম্ভাবনা নেই।

অক্টোবর ১৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal